সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম

কৌশল আর পাল্টা কৌশলে দুই দলের ইঁদুর-বিড়াল লড়াই

সংবাদ খেলা:

গত মৌসুমে লা লিগার ম্যাচে স্তাদিও দে সিরামিকায় গিয়ে ভিয়ারেয়ালের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছিল রেয়াল মাদ্রিদ। লস ব্লাঙ্কোসের হয়ে সেবার দুটি গোলই করেছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

চলতি মৌসুমেও আগের বছরের স্মৃতি ফিরিয়েছেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ভিয়ারেয়ালের মাঠে গতকাল শনিবার খেলতে গিয়ে আবারও জোড়া গোল করেছেন এমবাপ্পে। এবার অবশ্য কোনো গোল হজম করেনি মাদ্রিদ। তাতে ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আলভারো আরেবেলোয়ার দল।

গতকালের জয়ে বার্সেলোনাকে হটিয়ে দুই মাস পর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করল মাদ্রিদ। ২১ ম্যাচ শেষে ৫১ পয়েন্ট আরবেলোয়ার দলের। দুইয়ে নেমে যাওয়া বার্সার পয়েন্ট ৪৯। বার্সা অবশ্য একটা ম্যাচ কম (২০ ম্যাচ) খেলেছে। হাতে থাকা ওই ম্যাচে আজ ওভিয়েদোর বিপক্ষে মাঠে নামবে বার্সেলোনা। ওই ম্যাচে জিতলে মাদ্রিদকে সরিয়ে আবারও এক পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে যাবে হানসি ফ্লিকের দল।

ভিয়ারেয়ালের মাঠে গতকাল প্রথমার্ধটা অবশ্য সাদামাটাই কেটেছে মাদ্রিদের। তবে ভিয়ারেয়ালকে যে খুব বেশি সুযোগ দিয়েছে, এমন নয়। মাদ্রিদের গোলমুখ বরাবর প্রথমার্ধে কোনো শটই রাখতে পারেননি মার্সেলিনো গার্সিয়ার শিষ্যরা। শুধু ভিয়ারেয়াল কেন, ইউরোপিয়ান শীর্ষ পাঁচ লিয়ে রেয়াল মাদ্রিদই একমাত্র দল, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রথমার্ধে যাদের লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি প্রতিপক্ষ দল।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য কাটানোর পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের দেখা পায় মাদ্রিদ। ৪৭ মিনিটে বাঁপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ এক কাটব্যাক করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। সেটা ক্লিয়ার করতে গিয়ে তালগোল পাকান ভিয়ারেয়ালের ঘানাইয়ান মিডফিল্ডার তমাস পার্তে। তিনি বল এগিয়ে দেন এমবাপ্পের সামনে। সুযোগ পেয়ে সেটা জালে জড়াতে ভুল করেননি ফরাসি তারকা।

যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় মাদ্রিদ। এবার নিজেই পেনাল্টি আদায় করে দারুণ এক পানেনকটা শটে স্কোরলাইন দ্বিগুণ করে এমবাপ্পে। তাতে মাদ্রিদের একটা ইতিহাসে ওঠে ফরাসি স্ট্রাইকারের নাম। চলতি শতাব্দীতে মাদ্রিদের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ভিয়ারেয়ালের মাঠে দুইবার গিয়ে দুবারই অন্তত দুটি করে গোল করলেন এমবাপ্পে।

ম্যাচ শেষে মাদ্রিদ কোচ এমবাপ্পেকে তো প্রশংসায় ভাসিয়েছেনই, পাশাপাশি গুণকীর্তন করেছেন ভিনিসিয়ুসেরও। এমবাপ্পে ও ভিনিকে নিয়ে আরবেলোয়া বলেছেন, ‘ওরা দুজনই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। সত্যিই ভীষণ বিপজ্জনক দুজন।’

মাদ্রিদ কোচ যোগ করেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকে, ওদের কাছে যতটা সম্ভব বেশি বল পৌঁছানো। ভিনি বাইরে দিয়ে আক্রমণ করে, আর কিলিয়ান জায়গা খুঁজে নেয়… ওদের এই ফর্ম নিয়ে খুবই খুশি। বিশেষ করে ওরা যে পরিশ্রম করছে, সেটা দেখে। ওদের চেষ্টা আর দলগত মানসিকতার ফল হিসেবেই গোল আসছে।’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ